ঢাকায় আওয়ামী লীগ নেতার কিলিং মিশনে যুক্ত ছিল তিনজন !!!
শুভ বার্তা ঢাকা প্রতিনিধিঃ-
শরীফ হোসাইন
ছবিঃ সংগৃহিত
ঢাকায় আওয়ামী লীগ নেতার কিলিং মিশনে যুক্ত ছিল তিনজন। এর মধ্যে মুছা ও সালেহ সরাসরি টিপুকে শুট করে, আর ওমর ফারুক ওরফে কানা ফারুক দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। তাদেরকে অস্ত্র সরবরাহ করে কাইল্যা পলাশ। নেপথ্যে আরো অনেকেই আছে।
তবে যাদের নাম প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে তাদের অন্যতম হলো- ২০১৩ সালে রাজধানীর গুলশানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত তৎকালীন মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কীর ড্রাইভার সাগর এবং মহানগর আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সারির এক নেতা ও এক কাউন্সিলরের নাম।
উল্লেখ্য যে- গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন। এ সময় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রীতি নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। এই ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি শাহজাহানপুর থানায় গত শুক্রবার হত্যা মামলা দায়ের করেছেন, যাতে কাউকে আসামি করা হয়নি।
তবে মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্বামী মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন। ১০ বছর ধরে বৃহত্তর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন দলীয় কোন্দল ছিল। চার-পাঁচ দিন আগে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী আমার স্বামীকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেয়। দলীয় কোন্দলের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ফারহানা ইসলাম ডলি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগের নেত্রী।

