পর্তুগাল কৃষক দলের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা সুসম্পন্ন !!!
শুভ বার্তা প্রতিবেদন:-
তাহের রায়হান
তারিখঃ- ০৬ মার্চ ২০২৩ইং রোজ সোমবার
ছবিঃ- শুভ বার্তা
গতকাল ০৫ মার্চ ২০২৩ইং রোজ রোববার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটের সময় পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের বাঙালী অধ্যুষিত রুয়াদা বেনফরমসো-তে অবস্থিত “রাধুনি রেষ্টুরেন্টে” ছিল পর্তুগাল কৃষক দলের এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা। পর্তুগাল বিএনপি ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সর্বশ্রেণীর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সরব ও আন্তরিক উপস্থিতিতে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে উক্ত মতবিনিময় ও আলোচনা সভাটি।

পর্তুগাল কৃষক দলের উক্ত মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব মামুনার রশিদ খান এবং উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল বিএনপির উপদেষ্টা এবং কৃষক দলের ইউরোপ সমন্বয়ক জনাব জহুরুল ইসলাম মিলন। প্রধান বক্তা হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল বিএনপির সিনিয়র নেতা জনাব মাহিন উদ্দিন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন পর্তুগাল বিএনপির আরেক সিনিয়র নেতা জনাব মোঃ সাহাব উদ্দিন।

এছাড়াও উক্ত মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল বিএনপি নেতা জনাব স্বপন এমদাদ, পর্তুগাল বিএনপি নেতা জনাব এম কে নাসির, জাকির হোসেন, পর্তুগাল স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জনাব সুজন মিয়া,পর্তুগাল স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক জয়নুল টিপু, শাকিল আহমেদ সহ পর্তুগাল বিএনপি ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সর্বশ্রেণীর নেতৃবৃন্দ। সবার সরব ও আন্তরিক উপস্থিতিতে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে কৃষক দলের উক্ত মতবিনিময় ও আলোচনা সভাটি।

প্রধান অতিথি জনাব মামুনার রশিদ খান তার বক্তব্যে বলেছেন যে- “আমি খুবই খুশী, আমি খুবই অভিভূত আপনাদের এ সরব ও আন্তরিক উপস্থিতিতে। বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও জনাব তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য পৃথিবীর সর্বত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আরো শক্তিশালীভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে জনাব জহুরুল ইসলাম মিলন বলেছেন যে- “কৃষক দলের আজকের এই মতবিনিময় ও আলোচনা সভাকে সফল করার জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে মজবুত করতে, দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে পূণরুদ্ধার করতে হলে আমাদেরকে আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।”


