বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয় রাজপথেই ফয়সালা হবে – ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

 

শুভ বার্তা ডেস্কঃ-
২০ জানুয়ারী ২০২২ইং, সময়ঃ ১২:২৬ মিনিট
ছবিঃ সংগৃহিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় নারী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জনাবা রুমিন ফারহানা বলেছেন যে- “বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয় রাজপথেই ফয়সালা হবে।”

জনাবা রুমিন ফারহানা আরো বলেছেন যে- “বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য বিএনপির সামনে তিনটি পথ। একটি হলো- আইনি পথে মোকাবেলা করা। আইনের দিকে তাকালে দেখা যায়, জামিনের সকল শর্ত পূরণ করলেও চেয়ারপারসনের জামিন হচ্ছে না। যে মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়েছে এ ধরনের মামলায় হরদম জামিন হয়, কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি। সুতরাং বিচার বিভাগ যে সম্পূর্ণ নির্বাহী বিভাগের অধীনে চলে এটা প্রধান বিচারপতি সিনহার ঘটনা থেকে পরিষ্কার। আর বাকি থাকে ৪০১ ধারা কিংবা রাজপথ। ৪০১ ধারায় আবেদন করা হয়েছে এবং বারবার সরকারের কাছে বলা হয়েছে মানবিকভাবে বিষয়টি দেখার জন্য এবং অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেন দেশের বাইরে যেতে দেয়া হয়, সেটার জন্য বারবার বলা হয়েছে। সেটা সরকার কর্ণপাত করছেন না। আমাদের হাতে এখন রাজপথ খোলা আছে এবং রাজপথেই বিষয়টা ফয়সালা হবে, ইনশাআল্লাহ।”

সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে কেন বিদেশে যেতে দিচ্ছে না বলে মনে করেন- এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা আরো বলেছেন যে- “সরকার ভীতু, গত তিন বছর তিনি সরকারের হেফাজতে আছেন। যে মানুষটি হেঁটে গাড়িতে উঠল, কারাগারে গেল সেই মানুষটি এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে না। তার উপরে তিন বছরে কী নির্যাতন হয়েছে আমরা জানি না। সেটা সরকারকে জবাব দিতে হবে। এছাড়া ওনার ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যা ছিল, কিন্তু লিভারের সমস্যা কোনোদিন শোনা যায়নি। ওনার হঠাৎ করে লিভার সিরোসিসের মতো এত বড় একটা সমস্যা হয়ে গেল কি করে! এবং সে সময় হলো যখন তিনি সরকারের হেফাজতে। সুতরাং তিনি বাইরে গেলে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে তাকে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে কিনা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হয়তো এক ধরনের ভীতি কাজ করছে। আর জিয়া পরিবারের ব্যাপারে সরকার সবসময় ভীতু। সরকার দু’জনকে খুব ভয় করে- একজন বিএনপি চেয়ারপারসন আর অন্যজন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে চিকিৎসা নিতে দিচ্ছে না আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফিরতে দেয়া হচ্ছে না।”

১৭ জানুয়ারী রোজ সোমবার দেশের গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *