স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করাঃ জনাব ফখরুল
শুভ বার্তা ডেস্কঃ-
২৫ মার্চ ২০২২ইং, সময়ঃ ২৩:৫৫ মিনিট
ছবিঃ সংগৃহিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে- “আমরা চতুর্দিক থেকে জাতিগতভাবে খুব বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে আছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা, সেটা আজকে সবচেয়ে বড় বিপদে।”
জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেছেন যে- “স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধ নয়, ‘এক ব্যক্তির’ জন্মশতবার্ষিকীকে সরকার প্রাধান্য দিয়েছে। অবস্থা দেখে তাই মনে হয়েছে। সরকার কতগুলো প্রোগ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধকে সামনে নিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে যারা সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কয়বার? প্রবাসী সরকার, এম এ জি ওসমানি, তাজউদ্দিন আহমেদ সাহেবের ও সেক্টর কমান্ডারদের নাম কতবার উচ্চারিত হয়েছে, আপনারা নিজেরাই তা বুঝবেন।”
তিনি আরো বলেছেন যে- “আওয়ামী লীগের একটা কেমেস্ট্রি আছে যেটাকে বলা হয় ‘আমি ছাড়া আর কেউ নেই’। এটাই তাদের সমস্যা। এখন এই মুহূর্তে দেশে কোন গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। সারাবিশ্বে আমরা চিহ্নিত হয়েছি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী একটা দেশ হিসেবে।”
জনাব ফখরুল আরো বলেছেন যে- “বেগম খালেদা জিয়াই হচ্ছেন প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা। যিনি ছিলেন একজন গৃহবধূ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবের বিদ্রোহের পরে তার স্ত্রী সেদিন যখন সোয়াত জাহাজের দিকে এগুচ্ছিলেন তখন পাকিস্তানি কমান্ডার আমাদের অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার সোহরাব হোসেন সেনাবাহিনীর সৈনিকদের নিরস্ত্র করবার চেষ্টা করছিল সেই সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম বলেছিলেন, তোমরা অস্ত্র সমর্পণ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না জিয়াউর রহমান ফিরে আসেন। এই দিয়ে তার শুরু। তারপর শুরু হল ৯ মাস ব্যাপী মহান মুক্তিযুদ্ধ। এরপর ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হল।”
২৫ মার্চ রোজ শুক্রবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন।

